আসলে গরুর গোস হচ্ছে ভারী গোস, এতে সরল থেকে জটিল প্রোটিন সহ প্রচুর চর্বি থাকে। আর চর্বিতে প্রচুর কোলেস্টেরলও থাকে।
তাই গরুর গোস একবারে বেশি খাওয়া উচিত নয়। যেহেতু গরুর গোসে বেশ কিছু দুর্লভ উপাদান থাকে তাই গোস উপকারী কিন্তু অবশ্যই পরিমিত খেতে হবে।
যেহেতু সকাল দুপুর রাত একটানা বেশি বেশি গোস খাচ্ছেন তাই রক্তে প্রোটিন বেড়ে গেছে। যে হারে রক্তে প্রোটিন চর্বিসহ অন্যন্য উপাদান যাচ্ছে সেই হারে দেহ কোষ শোষন ও ব্যায় করতে পারছেনা তাই রক্তের সম্পৃকতার হারের ক্ষমতা শেষ হয়ে মাথা ঝিম ঝিম বা ঘোরানো অনুভূতি হচ্ছে।
এ অবস্থায় দেহ নিয়ন্ত্রক পিটুইটারি গ্রন্থি পুষ্টি কমানোর জন্য রুচি রেজিস্টেন হরমোন ক্ষরন করে ভলে রুচি কমে গেছে। এ অবস্থায় শাক সবজি খান দেখবেন ভাল লাগবে। রুচি স্বাভাবিক হবে।
আর হ্যা এত বেশি গোস একটানা খেলে পেটের পীড়া, গ্যাস্ট্রিক হতে পারে বিশেষ করে গুরুপাক বা ভোনা গোস এড়িয়ে চলুন। একজন পুরুষে প্রতিদিন ২৫ গ্রাম গোস খাওয়া হলে তা ক্ষতি করেনা। আর নারীদের বিশেষ করে পিরিয়ডের পর গোস খাওয়ার পরিমান ৫০-৭৫ গ্রাম হলেও সমস্যা নাই। কিন্তু এর বেশি খাওয়া উচিত নয়। সেখানে ঈদ আনন্দে তো সবাই প্রতি বারেই দুশত গ্রাম গোস খাচ্ছেন। কেউ কেউ দুনে ৩০০-৪০০ গ্রাম গোসও খাচ্ছেন। এমতাবস্থায় শারীরিক সমস্যা হতেই পারে।
আবার হ্যা যদি গোস গরম পানিতে কিছুক্ষম কসিয়ে পানি বা ঝোল ফেলে দিয়া শুধু গোস রান্না করা যায় তাহলে একবারে একটু বেশি খেলে সমস্যা হয়না কারন এতে চর্বি কোলেস্টেরল চলে যায়। পেপটোন কমে যায়। তাই এটি ভাল কিন্তু সত্য বলতে কি এই কাজ কেউ করবেনা এতে একদিকে স্বাদ একটু কমে যায় তেমনি বিশেষ উপাদান, দ্রবনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদান কমে যায় বা নষ্ট হয়।
তাই আমাদের উচিত দৈনিক ২৫-৩০ গ্রাম অর্থাৎ ছোট ৩ পিস গোস খাওয়া এবংং প্রতিদিন বেয়াম বা শরীর চর্চা করে ক্যালরি ক্ষয় করা তবেই সুস্থ্য ও সুন্দর ফিট থাকা যাবে। মনে থাকবে চাঞ্চল্য ও রুচিবোধ।